PRB Post

৭:০৯ PM • আইন ও বিচার

দীপ ও বান্ধবীসহ দেড় ঘণ্টা বারে ছিলেন তাহসিফ

PRB Post

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ৭:০৯ PM • 2 মিনিট পড়া

অনলাইন ডেস্ক

দীপ ও বান্ধবীসহ দেড় ঘণ্টা বারে ছিলেন তাহসিফ

বারের লিফটে উঠছেন তাহসিফ সাউরি, তার বান্ধবী ও বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ (হেলমেট পরিহিত)। সিসিটিভি ফুটেজ: সংগৃহীত

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে এসেছে নতুন মোড়। জানা গেছে, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে যাওয়ার আগে রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন তিনি, এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এক তরুণী এবং জুনিয়র বন্ধু দীপ। ওই তরুণীকে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাহসিফের বান্ধবী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে যান তাহসিফ ও তার বান্ধবী। তারা একটি মোটরসাইকেলে এসেছিলেন। কিছুক্ষণ পর আরেকটি মোটরসাইকেলে সেখানে পৌঁছান দীপ।

মোটরসাইকেল পার্ক করে তিনজনই রেস্টুরেন্টের ভেতরে চলে যান। আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তাহসিফ ও তার বান্ধবী লিফটে উঠছেন। এ সময় তারা দীপের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। পরে হেলমেট পরা অবস্থায় দীপ সেখানে পৌঁছালে তিনজন একসঙ্গে বারের লিফটে ওঠেন। সেখানে তারা প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর আবার মোটরসাইকেলে করে বেরিয়ে যান।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, পরে তাহসিফ সাউরির বান্ধবীকে তার বাসায় নামিয়ে দেয়। এরপর তাহসিফ ও দীপ যান টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায়। তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে ওই রাতের চলাচল ও বিভিন্ন স্থানে তার অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। এ বিষয়ে কোনো মন্তব‍্য করেননি তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

‘আমি ফুললি স্ট্রং’

এদিকে রিমান্ডের আদেশ হওয়ার পর আদালত থেকে তাকে বের করার সময় এক স্বজনকে উদ্দেশ্য করে দীপ বলেন, ‘আমি ফুললি স্ট্রং।’

দুপুর সোয়া ২টার দিকে আসামি দীপকে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানিকালে বিকাল ৩টা ২৫ মিনিটের দিকে তাকে এজলাসে তোলা হয়। হাতকড়া, মাথায় হেলমেট, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিহিত ছিল দীপের। কাঠগড়ায় নেওয়ার পর হেলমেট, বুলেট প্রুফ জ্যাকেট খুলে ফেলা হয়।

রিমান্ডের আদেশ হওয়ার পর আদালত থেকে বের করা হয় দীপকে। এসময় এক স্বজনকে উদ্দেশ্য করে দীপ বলেন, ‘আমি ফুললি স্ট্রং। টেনশন করতে না করেন।’ পরে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে উঠানোর সময় ও নামানোর সময় কয়েকবার তাকে হাসতে দেখা যায়। শুনানিকালেও স্বাভাবিক দেখা যায় তাকে।

আরও পড়ুন