শারদীয় দুর্গোৎসব ও পূজার লম্বা ছুটিতে শহুরে যান্ত্রিকতা থেকে দূরে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চান অনেকেই। পরিবার-পরিজন বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ছুটি কাটানোর জন্য অবকাশ কেন্দ্র 'ছুটি রিসোর্ট' হতে পারে দারুণ এক পছন্দ। চোখ জুড়ানো সবুজ প্রকৃতি, লেকের জলরাশি আর পাখির কলকাকলিতে ঘেরা রিসোর্টগুলো ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণের নাম।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘ছুটি’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই প্রকৃতি, অবকাশ এবং আধুনিক আতিথেয়তার সমন্বয়ে একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে আসছে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আজ ছুটি গ্রুপের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে ছুটি রিসোর্ট গাজিপুর, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল, ছুটি রিসোর্ট পুবাইল, ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্ট (শমশেরনগর)।

বর্তমানে ছুটি গ্রুপের পরিচালনায় রয়েছে ১৫১টিরও বেশি রুম ও কটেজ, যেখানে ইতোমধ্যে ২২ লক্ষাধিক অতিথি সেবা গ্রহণ করেছেন। পারিবারিক অবকাশ, করপোরেট রিট্রিট, কনফারেন্স, ওয়ার্কশপ, এজিএম-ইজিএম, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলো এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য।
একই সঙ্গে কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, সাইক্লিং, হর্স রাইডিং ও ফিশিংসহ বৈচিত্র্যময় বিনোদন সুবিধা অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।

অবস্থান ও যাতায়াত ব্যবস্থা
গাজীপুরের 'ছুটি রিসোর্ট'
ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের সুকুন্দি গ্রাম (আমতলী বাজার, জয়দেবপুর) ও ভাওয়াল রাজবাড়ীর সন্নিকটে ৫৪ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছে এই রিসোর্ট। ২০১২ সাল থেকে এটি সুনামের সঙ্গে পর্যটকদের সেবা দিয়ে আসছে।
ব্যক্তিগত গাড়িতে: গাজীপুর চৌরাস্তা হয়ে শিববাড়ি মোড় এবং ভাওয়াল রাজবাড়ীর সামনে দিয়ে সহজেই রিসোর্টে পৌঁছানো যায়।
বাসে: ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা নেমে লোকাল অটোতে জয়দেবপুর রেলগেট, সেখান থেকে রিকশা বা অটোতে ভাওয়াল রাজবাড়ীর সামনে গিয়ে রিজার্ভ সিএনজিতে রিসোর্টে যাওয়া সম্ভব।
ট্রেনে: ঢাকা থেকে ট্রেনে জয়দেবপুর স্টেশনে নেমে রিকশা বা সিএনজিযোগে ভাওয়াল রাজবাড়ী হয়ে সরাসরি রিসোর্টে পৌঁছানো যায়।
রিসোর্টের সুযোগ-সুবিধা ও আকর্ষণ
প্রকৃতির মাঝে গ্রামীণ পরিবেশের নিখুঁত রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই রিসোর্টে। এখানকার উল্লেখযোগ্য সুযোগ-সুবিধার মধ্যে রয়েছে:
সুবিশাল সুইমিং পুল, কিডস জোন ও খেলার মাঠ। লাক্সারিয়াস ভিলা, কটেজ ও কনফারেন্স হল। বোটিং ও ফিশিংয়ের সুব্যবস্থা সহ ৩টি সুন্দর লেক। সাইকেলিংয়ের সুব্যবস্থা, ঘোড়ায় চড়ার সুযোগ এবং শীতকালীন পিঠা-পুলির আয়োজন। ক্যাম্পফায়ার, বারবিকিউ পার্টি এবং ক্যাম্পিংয়ের দারুণ সুযোগ।
বিশেষ আকর্ষণ—জোছনা বিলাস:
ছুটি রিসোর্টের অন্যতম রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হলো ভরা পূর্ণিমায় জোছনা উপভোগ। পূর্ণিমার রাতে রিসোর্টের ভেতরের সব বৈদ্যুতিক আলো বন্ধ রাখা হয়, ফলে চাঁদের স্নিগ্ধ আলোয় গাজীপুরের বনের আসল রূপ উপভোগ করতে পারেন অতিথিরা।

রুমের ধরন ও ভাড়ার তালিকা
ছুটি রিসোর্টে বিভিন্ন ক্যাটাগরির কটেজ ও রুম রয়েছে। প্রতিটি রুমের ভাড়ার সঙ্গে সকালের নাশতা, সুইমিং পুল ও জিম ব্যবহারসহ নানা সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকে।
রুমের ধরন ও ভাড়ার তালিকা:
ছুটি রিসোর্টে দর্শনার্থীদের পছন্দ ও বাজেট অনুযায়ী রয়েছে নানা ধরনের কটেজ ও স্যুট। প্রতিটি রুমের ভাড়ার সঙ্গে সকালের নাশতা, সুইমিং পুল ও জিম ব্যবহারসহ বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্ট্যান্ডার্ড ডবল বেডের ঐতিহ্য কটেজ ও ডিলাক্স টুইন রুমের প্রতিটির ভাড়া ৭,৫০০ টাকা (২ জন)। কাঠের তৈরি ঐতিহ্যবাহী উডেন কটেজ, ঝুল বারান্দাসম্পন্ন প্রিমিয়াম টুইন এবং ডুপ্লেক্স ভিলা প্রতিটির ভাড়া ৮,০০০ টাকা (২ জন)। এ ছাড়া সোফাসহ প্লাটিনাম কিং রুম ৯,০০০ টাকায় (২ জন) এবং প্রিমিয়াম ডুপ্লেক্স ভিলা ১০,০০০ টাকায় (২ জন) বুক করা যায়।
বাইরে থেকে প্রাচীন লুক হলেও ভেতরের আধুনিক সাজের ভাওয়াল কটেজ-এর ভাড়া ১৩,০০০ টাকা (২ জন)। আরও বেশি প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতার জন্য রয়েছে অত্যাধুনিক এক্সিকিউটিভ সুইট (ভাড়া ১৪,০০০ টাকা, ২ জন) এবং রিসোর্টের সবচেয়ে লাক্সারিয়াস রয়্যাল সুইট, যেখানে বেড, ডাইনিং, ড্রয়িং ও ঝুল বারান্দাসহ ১৮,০০০ টাকায় ২ জন থাকতে পারবেন। বড় পরিবার বা দলবদ্ধভাবে থাকার জন্য কিং সাইজ বেডের ফ্যামিলি কটেজ-এর ভাড়া ১৮,০০০ টাকা (৪ জন)।
এছাড়া রুমের বাইরে ডুপ্লেক্স ভিলা ৮,০০০ টাকায় এবং প্রিমিয়াম ডুপ্লেক্স ভিলা ১০,০০০ টাকায় ২ জনের জন্য বুক করা যায়।
আকর্ষণীয় প্যাকেজ অফার
সাধারণ রুম ভাড়ার পাশাপাশি রিসোর্টটিতে বর্তমানে কিছু সাশ্রয়ী প্যাকেজ চালু রয়েছে:
১. কমন ডে আউট প্যাকেজ (২২০০ টাকা): সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার, বারবিকিউ সুযোগ, সুইমিং পুল, মাঠ ও ক্যাম্প ফায়ার।
২. স্টুডেন্ট ডে লং প্যাকেজ (১৫০০ টাকা - আইডি কার্ড সাপেক্ষে): সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার, বিকালের নাশতা, সুইমিং পুল, মাঠ ও বোটিং।
৩. স্টুডেন্ট নাইট স্টে প্যাকেজ (২৫০০ টাকা - আইডি কার্ড সাপেক্ষে): বিকালের নাশতা, রাতে বারবিকিউ, সকালের নাশতা, ক্যাম্প ফায়ার, তাবুতে থাকার সুযোগ, সুইমিং পুল ও বোটিং।
এছাড়া ফিশিং কুপন ২০০ টাকা, ঘোড়ায় চড়া প্রতি রাউন্ড ৫০ টাকা এবং সাইকেলিং ফি ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল:
এছাড়া, কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার দূরে পূর্বাচলের কাছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে উঠেছে আকর্ষণীয় অবকাশ কেন্দ্র ‘ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল’। কোলাহলমুক্ত ও শান্ত পরিবেশের কারণে এটি পর্যটকদের মাঝে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
প্রকৃতির অনন্য রূপ ও সুযোগ-সুবিধা
ঐতিহ্যবাহী গ্রামের নিসর্গ দ্বারা বেষ্টিত এই রিসোর্টটিতে প্রবেশ করলেই মিলবে অন্য এক প্রশান্তি। এখানে রয়েছে চমৎকার সুইমিং পুল, সুবিশাল খেলার মাঠ, শিশুদের জন্য কিডস প্লে জোন এবং হাঁটার জন্য মনোরম ওয়াকওয়ে বা পথ। চারপাশের প্রাকৃতিক বন, ছিমছাম পরিবেশ এবং মাথার ওপর রাজকীয় নীল আকাশ ভ্রমণপিপাসুদের মন জুড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে রাতে পূর্ণিমার জোছনা উপভোগ করার দারুণ সুযোগ রয়েছে এখানে।
সকালের স্নিগ্ধ ও তাজা বাতাসে প্রকৃতিতে হাঁটার পাশাপাশি এখানে রয়েছে নানান আয়োজন। রিসোর্টটিতে সুস্বাদু খাবারের বুফে ছাড়াও চা-কফির সুব্যবস্থা রয়েছে।
অনুষ্ঠান ও ইভেন্টের সুব্যবস্থা
শুধু সাধারণ অবকাশ যাপনই নয়, যেকোনো সামাজিক ও করপোরেট অনুষ্ঠানের জন্যও এটি একটি আদর্শ স্থান। ট্রেন্ডি ইভেন্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে এখানে আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে: জমকালো বিবাহ উৎসব বা ওয়েডিং রিসেপশন, জন্মদিন উদযাপন ও পারিবারিক অনুষ্ঠান এবং করপোরেট ওয়ার্কশপ, সেমিনার ও মিটিং।
বুকিং ও অন্যান্য তথ্য
ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচলে বেড়াতে আসা অতিথিদের জন্য রয়েছে চমৎকার সব সুবিধা। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এখানকার প্রতিটি রুমের ভাড়ার সঙ্গেই সুস্বাদু প্রাতঃরাশ বা সকালের নাশতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া দুপুরের খাবার, রাতের খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের সুব্যবস্থা রয়েছে।
শহরের খুব কাছে অথচ প্রকৃতির একদম কাছাকাছি সময় কাটাতে চাইলে পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ‘ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল’-এ।

ছুটি রিসোর্ট পুবাইল
অবস্থান ও পরিবেশ
ঢাকার খুব কাছে অথচ শহুরে কোলাহল থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত এক গ্রামীণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশে এই রিসোর্টটি অবস্থিত। ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার আবহ, সবুজ গাছপালা এবং চারপাশের নিসর্গ পর্যটকদের প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ করে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে পরিবার-পরিজন বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে মন জুড়ানো একটি দিন কাটানোর জন্য পুবাইলের এই ছুটি রিসোর্টটি আদর্শ একটি স্থান।
রিসোর্টের সুযোগ-সুবিধা ও আকর্ষণ
অতিথিদের অবকাশ যাপনকে আনন্দদায়ক ও আরামদায়ক করতে এখানে রয়েছে নানামুখী সুযোগ-সুবিধা:
সুইমিং পুল ও কিডস জোন: বড়দের সাঁতার কাটার সুব্যবস্থার পাশাপাশি ছোটদের বিনোদনের জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় কিডস প্লে জোন।
খেলার মাঠ ও ওয়াকওয়ে: চারপাশ জুড়ে খোলা মাঠ এবং সকাল-সন্ধ্যা হাঁটার জন্য চমৎকার হাঁটার পথ বা ওয়াকওয়ে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: সবুজ বনানী এবং ছিমছাম পরিবেশের মধ্য দিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ। বিশেষ করে রাতে খোলা আকাশের নিচে বা পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় পুবাইলের নিসর্গ এক অন্যরকম রূপ নেয়।
খাবারের আয়োজন: রিসোর্টের ভেতরে রয়েছে সুস্বাদু খাবারের চমৎকার ব্যবস্থা। ঐতিহ্যবাহী ও মানসম্মত খাবারের বুফে ছাড়াও রয়েছে চা-কফির সুব্যবস্থা।
ইভেন্ট ও অনুষ্ঠান আয়োজনের সুব্যবস্থা
শুধু সাধারণ ভ্রমণ বা ডে-আউট নয়, নানা ধরনের সামাজিক ও করপোরেট অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যও ছুটি রিসোর্ট পুবাইল বেশ জনপ্রিয়। এখানে যে ধরনের অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব: করপোরেট ওয়ার্কশপ, মিটিং ও সেমিনার, জন্মদিনের অনুষ্ঠান ও পারিবারিক গেট-টুগেদার, বিবাহ উৎসব বা ওয়েডিং রিসেপশনের মতো বড় আয়োজন।
রুম ও থাকার ব্যবস্থা
রিসোর্টটিতে রাত্রিযাপনের জন্য রয়েছে মানসম্মত ও আধুনিক কটেজ বা রুম। সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক বিষয় হলো, এখানকার বেশিরভাগ রুমের ভাড়ার সঙ্গেই সকালের প্রাতঃরাশ (ব্রেকফাস্ট) অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া দুপুর ও রাতের খাবারের জন্য রয়েছে সুব্যবস্থা।
শহরের কোলাহল এড়িয়ে একটু নিরিবিলিতে প্রিয়জনদের নিয়ে ছুটির দিনগুলো উপভোগ করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ছুটি রিসোর্ট পুবাইল থেকে।
ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্ট
বন্য প্রকৃতি ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ
নামের মাঝেই লুকিয়ে আছে এর ভিন্নতার পরিচয়। গভীর বন ও বন্য প্রকৃতির কাছাকাছি অবস্থান করায় এই রিসোর্টটি সাধারণ অবকাশ কেন্দ্রগুলোর চেয়ে অনেকটাই আলাদা। এখানে এলে চারপাশের সুউচ গাছপালা, পাখির অবিরাম কলকাকলি এবং ছিমছাম নিরিবিলি পরিবেশ মুহূর্তেই মন জুড়িয়ে দেয়। যারা শহুরে কোলাহল ছেড়ে একটু গভীর প্রকৃতির শান্ত ছায়ায় সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য এটি দারুণ এক পছন্দ।
রিসোর্টের সুযোগ-সুবিধা ও আকর্ষণ
অতিথিদের ভ্রমণকে আরামদায়ক এবং রোমাঞ্চকর করতে ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্টে রয়েছে নানামুখী সুযোগ-সুবিধা:
সবুজ প্রান্তর ও ওয়াকওয়ে: খোলামেলা পরিবেশ এবং বনের ভেতর দিয়ে হাঁটার জন্য চমৎকার পথ, যা প্রকৃতিপ্রেমীদের দারুণ আনন্দ দেবে।
সুইমিং পুল ও রিলাক্সেশন জোন: প্রকৃতির মাঝে জলকেলির আনন্দ উপভোগ করতে রয়েছে মানসম্মত সুইমিং পুল ও বসার জায়গা।
খাবারের সুব্যবস্থা: রিসোর্টের নিজস্ব রেস্টুরেন্টে দেশীয় ও সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি বুফে এবং বারবিকিউ করার চমৎকার ব্যবস্থা রয়েছে।
ক্যাম্পফায়ার ও আড্ডা: রাতেরবেলা বনের আবহে ক্যাম্পফায়ার, তারাভরা আকাশ দেখা এবং বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সাথে আড্ডা দেওয়ার এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।
করপোরেট ও পারিবারিক ইভেন্ট
শুধু ব্যক্তিগত বা পারিবারিক ভ্রমণই নয়, নানা ধরনের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যও এই রিসোর্টটি বেশ উপযোগী। এখানে আয়োজন করা সম্ভব: করপোরেট ওয়ার্কশপ, টিম বিল্ডিং ও সেমিনার, পারিবারিক গেট-টুগেদার ও জন্মদিন উদযাপন, বিভিন্ন সামাজিক উৎসব ও গেট-টুগেদার।

রাত্রিযাপন ও বুকিং
প্রকৃতির মাঝে রাত কাটানোর জন্য এখানে রয়েছে আধুনিক ও আরামদায়ক কটেজ বা রুমের সুব্যবস্থা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রুম ভাড়ার সঙ্গে সকালের প্রাতঃরাশ (ব্রেকফাস্ট) অন্তর্ভুক্ত থাকে, যা অতিথিদের ভ্রমণকে আরও স্বস্তিদায়ক করে তোলে।
যান্ত্রিকতা ভুলে সবুজ বনের বুক চিরে একটু অন্যরকম রোমাঞ্চকর ছুটি কাটাতে চাইলে পরিবার বা বন্ধুবান্ধবকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্ট থেকে।
যোগাযোগ ও বুকিং: বিস্তারিত জানতে বা বুকিং করতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯৫১-৫৩৭৭৭৭ বা ০১৭৭৭-১১৪৪৮৮ নম্বরে অথবা ভিজিট করতে পারেন ছুটি রির্সোটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.chutiresort.com)।
