PRB Post

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৬ AM • জাতীয়

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

PRB Post

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১০:৪৬ AM • 2 মিনিট পড়া
আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১০:৪৭ AM

অনলাইন ডেস্ক

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে পাঁচ দিনের নিউইয়র্কে সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় পৌঁছেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ।

২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে এবং একটি শান্তিময় বিশ্বসমাজের প্রত্যাশায় বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, রোহিঙ্গা সংকট, ফিলিস্তিন ইস্যু, জলবায়ু ন্যায়বিচার, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও তরুণদের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি জানান, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করছে। ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামতের জন্য সরকার Recovery, Restoration এবং Reconstruction অর্থাৎ 3-R কৌশল অনুসরণ করছে। বাংলাদেশের সামনে এখন এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক ও সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও অগ্রাধিকার তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু ন্যায়বিচার, জনস্বাস্থ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

পাশাপাশি, জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরকালে আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে চারটি অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখেন। এগুলোর মধ্যে ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স, ফার্স্ট স্পাউসেস’ ডায়ালগ এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন