ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের রাজনৈতিক কাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে দেশটির ওপর চালানো ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ নিয়ে নিজের উপলব্ধি প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মনে করছেন, ইরানের নেতৃত্বের বিষয়টি সামলানোর ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন কিছুটা অতিরিক্ত বা বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ইয়ংস্টাউন শহরে রিপাবলিকান পার্টির এক নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো কূটনৈতিক আলোচনা বা শান্তি প্রক্রিয়ার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রশাসন বুঝে উঠতে পারছে না যে তারা ইরানে কার সঙ্গে কাজ করবে। এমনকি ওয়াশিংটন যাদের দেশটির পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ভাবনায় রেখেছিল, তাদের কেউই পরবর্তীতে এই গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেননি বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
একই বক্তব্যে তিনি আরও দাবি করেন, বিগত প্রায় আট মাসের সংঘাতের মধ্য দিয়ে ইরান তাদের বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনীর বড় একটি অংশ হারিয়েছে। এ সময় দেশটি প্রায় ১৫৯টি নৌযান খুইয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানের বেশ কিছু যুদ্ধবিমান এবং নৌবাহিনীর জাহাজ এখন সমুদ্রের তলদেশে ধ্বংস হয়ে পড়ে আছে। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের জলসীমায় বাণিজ্যিক জলযানগুলোতে সম্প্রতি ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে এল।
এদিকে, ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর থেকে শুরু করে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে অন্তত ১৯টি বাণিজ্যিক জাহাজে বিভিন্ন হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
