PRB Post

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৭ PM • আন্তর্জাতিক

রূপপুরের জ্বালানিবাহী বিমানকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান

PRB Post

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১২:৩৭ PM • 2 মিনিট পড়া
আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ১২:৪১ PM

অনলাইন ডেস্ক

রূপপুরের জ্বালানিবাহী বিমানকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র | ছবি: এএনআই

 

পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছাতে দেরি হচ্ছে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি বহনকারী একটি কার্গো বিমান ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। পাকিস্তান কেন এমনটি করেছে সেটি স্পষ্ট নয়।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়াম বহনকারী একটি কার্গো বিমানের ২৪ সেপ্টেম্বর আসার কথা ছিল। তবে, বিমানটিকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে পৌঁছায়নি। পাকিস্তান কেন আকাশসীমা ব্যবহারের ছাড়পত্র দেয়নি, তার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাশিয়া নতুন করে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর তারিখ প্রস্তাব করেছে।’

ANI News link : পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামও আকাশসীমা ব্যবহারে বাধা পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি এএনআইকে বলেন, ‘জ্বালানি পরিবহনের জন্য বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে রুশ পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সমন্বয় কর্মকর্তা আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না থাকার বিষয়টি জানান। এরপর পরিবহন কার্যক্রম স্থগিত করতে হয়।’

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটমের সহায়তায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে নির্মাণাধীন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

কেন্দ্রটিতে তৃতীয় প্রজন্মের দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে। দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।

এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানির প্রথম চালান বাংলাদেশে আসে। রোসাটমের নোভোসিবিরস্ক কেমিক্যাল কনসেনট্রেটস প্ল্যান্টে তৈরি ১৬৪টি নতুন জ্বালানি সংবলিত ওই চালান রাশিয়ার একটি কার্গো বিমানে করে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়।

পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বিশেষভাবে সুরক্ষিত কনটেইনারে করে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাহারায় এসব জ্বালানি ‘গ্রিন করিডোর’ দিয়ে ঈশ্বরদীর রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়।

সূত্র: এএনআই
 

আরও পড়ুন