PRB Post

১০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৮ PMজাতীয়

১০ টাকা লিটারে বাড়ল মিল্কভিটার দুধের

PRB Post

১০ আগস্ট, ২০২৬ এ ৬:২৮ PM2 মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ টাকা লিটারে বাড়ল মিল্কভিটার দুধের

বাজারে মিল্কভিটা ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে খুচরা দোকানে মিল্কভিটার প্রতি লিটার দুধ এখন ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫ আগস্ট থেকে বাড়তি এ দাম কার্যকর হয়েছে।

মিল্কভিটার দুধ উৎপাদন করে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রান্তিক পর্যায়ে খামারিদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহের দাম ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যয় বেড়েছে। এ কারণে খুচরা পর্যায়ে দুধের দাম বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ১ আগস্ট থেকে বাড়ানো হয়েছে খামারি পর্যায়ে দুধ সংগ্রহের মূল্যও।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও টাউনহল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এসব বাজারে মিল্কভিটার নতুন দামের দুধের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে। তাতে ৫০০ মিলিলিটারের (আধা লিটার) স্ট্যান্ডার্ড দুধ (লো ফ্যাট) ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ৫৫ টাকা। আর আধা লিটার টোন্ড মিল্ক বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়, যা আগে ৫০ টাকা ছিল।

বাজারে প্রাণ, ফার্মফ্রেশ (আকিজ ডেইরি)সহ কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানির তরল দুধও বিক্রি হয়। এসব কোম্পানির দুধের দাম বাড়েনি। বিক্রেতারা জানান, আধা লিটারের আড়ং ও ফার্মফ্রেশ দুধ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাস্তুরিত তরল দুধ, টোল্ড মিল্ক, ফ্লেভার্ড মিল্ক, ঘি, মাখন, ননিযুক্ত গুঁড়া দুধ, ননিবিহীন গুঁড়া দুধ, মিষ্টি দই, টক দই, রসগোল্লা, সন্দেশ, চিজ, কেকসহ ২৫ ধরনের পণ্য বাজারজাত করে মিল্কভিটা। প্রায় সব ধরনের পণ্যের দামই বাড়ানো হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির সূত্র জানিয়েছে।

খরচ সামলাতেই এ সিদ্ধান্ত, দাবি কর্তৃপক্ষের মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষের দাবি, প্যাকেজিং সামগ্রী, গোখাদ্যসহ সহায়ক সবকিছুর দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে আগের তুলনায় তাদের ১১ থেকে সাড়ে ১১ টাকা খরচ বেড়েছে। দুগ্ধ খামারিরাও বারবার তাদের উৎপাদিত দুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সব মিলিয়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুধ ছাড়া মিল্কভিটার অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের দামও বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মিল্কভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, ‘চাল, ডাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামের তুলনায় গত ১২ বছরে দুগ্ধ খাতে মূল্যবৃদ্ধি বেশ কম ছিল। খামারিদের টিকিয়ে রাখা ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদন ধরে রাখার স্বার্থে আমরা দাম সমন্বয় করেছি। দুধের মানের বিষয়ে আমরা কোনো ছাড় দিই না। এ কারণে ভোক্তারাও আমাদের ওপরে আস্থা রাখছেন।’

আরও পড়ুন